রোগ সম্পর্কে
গলব্লাডার বা পিত্তথলি লিভারের নিচে থাকা ছোট একটি থলি, যেখানে পিত্তরস জমা থাকে। এর ভেতরে পাথর হলে পিত্তরসের প্রবাহ বাধা পেতে পারে। অনেকের পাথর থাকলেও কোনো লক্ষণ থাকে না। আবার কারও বারবার ব্যথা হয়, গলব্লাডারে প্রদাহ (কোলেসিস্টাইটিস) হয় বা পিত্তনালি বন্ধ হয়ে জন্ডিস দেখা দেয়।
চিকিৎসা
সাধারণত আলট্রাসনোগ্রাম করে পাথর নিশ্চিত হওয়া যায়। পাথরের কারণে লক্ষণ দেখা দিলে প্রচলিত চিকিৎসা হলো ল্যাপারোস্কোপিক কোলেসিস্টেকটমি, অর্থাৎ ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে গলব্লাডার ফেলে দেওয়া। গলব্লাডার ছাড়াও মানুষ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন। কিছু জটিলতায় দ্রুত অপারেশন দরকার হয়, তাই কখন অপারেশন করা ভালো, সে বিষয়ে সার্জন পরামর্শ দেবেন।
সাধারণ লক্ষণ
- পেটের ডান পাশে ওপরের দিকে বা মাঝখানে ব্যথা, প্রায়ই তৈলাক্ত খাবারের পর
- ব্যথা ডান কাঁধ বা পিঠের দিকে ছড়িয়ে যাওয়া
- বমি বমি ভাব, বমি, পেট ফাঁপা বা বদহজম
কখন ডাক্তার দেখাবেন
- কয়েক ঘণ্টা ধরে ব্যথা থাকে বা বারবার ফিরে আসে
- পেটব্যথার সঙ্গে জ্বর
- চোখ বা শরীর হলুদ হয়ে যাওয়া (জন্ডিস), প্রস্রাব গাঢ় হওয়া বা পায়খানা ফ্যাকাশে হওয়া
তীব্র ব্যথা, বমি, জ্বর বা বেশি রক্তক্ষরণ হলে দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান।
এই পাতার তথ্য সাধারণ ধারণার জন্য। ডাক্তারের সরাসরি পরামর্শের বিকল্প নয়।



