রোগ সম্পর্কে
ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারিতে পেট বড় করে না কেটে কয়েকটি ছোট ছিদ্র করা হয়। একটি ছিদ্র দিয়ে সরু ক্যামেরা (ল্যাপারোস্কোপ) ঢোকানো হয়, যা পেটের ভেতরের দৃশ্য মনিটরে দেখায়। বাকি ছিদ্রগুলো দিয়ে সরু যন্ত্রপাতি ঢুকিয়ে অপারেশন করা হয়।
ওপেন সার্জারির তুলনায় এতে সাধারণত কাটা দাগ ছোট হয়, ক্ষতস্থানে ব্যথা কম থাকে এবং অনেক রোগী তাড়াতাড়ি স্বাভাবিক কাজে ফিরতে পারেন। তবে কোন রোগীর জন্য এই পদ্ধতি উপযুক্ত, তা নির্ভর করে রোগের ধরন, আগের অপারেশন ও সার্বিক স্বাস্থ্যের ওপর। পরামর্শের সময় সার্জন এসব দেখে সিদ্ধান্ত নেন।
প্রশিক্ষণ
ডা. মোহাম্মাদ সোহেল-উজ্জামান ভারতের দিল্লির ওয়ার্ল্ড ল্যাপারোস্কোপি হাসপাতালে ডা. আর. কে. মিশ্রের তত্ত্বাবধানে মিনিমাল অ্যাক্সেস সার্জারিতে ফেলোশিপ সম্পন্ন করেছেন এবং ফেলোশিপ কোয়ালিফাইং পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন। তিনি ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অব ল্যাপারোস্কোপিক সার্জনসের (WALS) লাইফ মেম্বার।
কখন ডাক্তার দেখাবেন
- গলব্লাডারের পাথর, হার্নিয়া বা অ্যাপেন্ডিক্সের অপারেশনের পরামর্শ পেয়েছেন এবং ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতিতে করা যাবে কি না জানতে চান
- পেটের অপারেশনের আগে আরেকজন সার্জনের মতামত নিতে চান
তীব্র ব্যথা, বমি, জ্বর বা বেশি রক্তক্ষরণ হলে দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান।
এই পাতার তথ্য সাধারণ ধারণার জন্য। ডাক্তারের সরাসরি পরামর্শের বিকল্প নয়।



